আলোচিত ইস্যু গুলো
রামু ট্রাজেডি এর নিউজগুলো

রামুর ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন
প্রথম আলো
১৬ মে, ২০১৩
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধমন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়। একই সঙ্গে আদালত ২৮ মে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন। এ সময় আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার। পরে আইনজীবী জ্যোতির্ময় প্রথম আলো ডটকমকে জানান, তথ্য-উপাত্ত ও সুপারিশসহ দুই খণ্ডে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়েছে। সুপারিশের অংশে দুই শতাধিক পৃষ্ঠা রয়েছে। তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে দুই-তিন হাজার পৃষ্ঠা রয়েছে। আদালত আবেদনকারীপক্ষকে ফটোকপির মাধ্যমে প্রতিবেদনের অনুলিপি সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছেন। প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। রামুর ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া গত বছরের ১০ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন। ১৩ ডিসেম্বর আদালত ঘটনা তদন্তে সাত দিনের মধ্যে বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠন করতে স্বরাষ্ট্রসচিব ও আইনসচিবকে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর বৌদ্ধমন্দিরে হামলা পাকিস্তান আমলেও যা ঘটেনি
সংবাদ
১ জানুয়ারি ২০১৩
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কোরআন অবমাননার অভিযোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দির এবং বৌদ্ধদের ৪০টি বাড়িতে আগুন দেয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় তারা শতাধিক বাড়িতে লুটপাট এবং ভাঙচুর চালায়। তারা সীমা বৌদ্ধবিহার, রাখাইন বৌদ্ধমন্দির, লাল চিং, সাদা চিং, রামু মৈত্রী বিহার ও অপর্ণা মৈত্রী বিহার জ্বালিয়ে দেয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পার্শ্ববর্তী পটিয়া উপজেলার দুটি হিন্দু মন্দির ও দুটি বৌদ্ধমন্দিরে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। কয়েকশ' লোক মিছিল করে লাখাড়া অভয় বৌদ্ধবিহারে হামলা চালায় এবং আগুন দেয়। এরপর কোলাগাঁও বৌদ্ধবিহার, কোলাগাঁও নবারুণ সংঘ দুর্গা মন্দির ও জেলে পাড়া মাতৃ মন্দিরেও হামলা করে। এ ঘটনার পরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরসহ সরকার ও বিরোধীদলীয় বিভিন্ন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে নিন্দার ঝড় উঠে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে বলেছিলেন, মন্দির পোড়ানোর ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে দুঃখজনক। হামলার ঘটনাটি পরিকল্পিত। স্থানীয় সূত্রও জানায়, ঘটনাটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। স্থানীয় অধিবাসীদের তেমন কোন সম্পৃক্ততা ছিল না। রোহিঙ্গা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুতে হামলার ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের দুর্বলতা ছিল
দৈনিক ইত্তেফাক
২৪ নভেম্বর ২০১২
রামুতে বৌদ্ধ মন্দির বসতিতে হামলার ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের কিছু দুর্বলতা ছিল বলে স্বীকার করলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, কিছু দুর্বলতা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তাত্ক্ষণিকভাবে যেখানে যেমন ব্যবস্থা নেয়া দরকার তা নিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে শুভ কঠিন চীবর দান ও বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, কোন ধর্ম ও দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশের মাটি  ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। রামু-পটিয়ায় হামলা নতুন অশনি সংকেত। যারা আবার দেশে দ্বি-জাতিতত্ত্বের বীজ বপন করতে চান তারাই রামুতে হামলা চালিয়েছে। তারা সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চায় না, সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বানাতে চায়। আমরা ধর্মের নামে হানাহানিতে বিশ্বাস করি না। তাই জঙ্গি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন ধর্ম বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণের জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেব না। আমাদের কথা ও কাজের মধ্যে কোন বিভেদ নাই। সরকার বৌদ্ধ সমাজের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। এদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক, তারা  বৌদ্ধদের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামু থেকে লুট হওয়া ৩ বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার : গ্রেফতার ৫
সংবাদ
২২ নভেম্বর ২০১২
র‌্যাব রামু থেকে লুট হওয়া কষ্টিপাথরের তিনটি মূর্তি উদ্ধার করেছে। গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে গতকাল বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা ও ফেনীতে অভিযান চালিয়ে এসব মূর্তি উদ্ধার করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো নূর আলম (৪০), শাজাহান (৫২), মো. মুছা (৫৪), আনোয়ার হোসেন (৫০) এবং রফিকুল ইসলাম (৫০)। তারা মূর্তি পাচারকারী দলের সদস্য বলে র‌্যাব জানায়। গতকাল র‌্যাব-৭ এর সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া মূর্তিগুলোর মধ্যে বড় মূর্তিটির ওজন ৫ কেজি ৮৫০ গ্রাম ও উচ্চতা ৪৩ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার, ছোট মূর্তির মধ্যে একটির ওজন আড়াই কেজি ও উচ্চতা ২৩ সেন্টিমিটার এবং ছোট মূর্তিটির ওজন এক কেজি ৭৫০ গ্রাম ও উচ্চতা ২২ সেন্টিমিটার। এদিকে গ্রেফতারের পর গতকাল সকালে পাঁচজনকে নগরীর পতেঙ্গার র‌্যাব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। জানা গেছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে ফেনী জেলার জামতলা থেকে নূর আলম, শাজাহান ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুতে হামলা :গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাই দায়ী
দৈনিক ইত্তেফাক
৮ নভেম্বর ২০১২
রোহিঙ্গা অংশগ্রহণে ধ্বংসযজ্ঞ বৃদ্ধি পায় কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপর হামলা এবং বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্য গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে সরকারি তদন্ত কমিটি। কমিটি বলেছে, এই সুপরিকল্পিত আক্রমণের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে আগাম কোন তথ্য ছিলো না, এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ রামুতে মিছিলে ও হামলায় অংশ নিয়েছিলো। তাদের অংশগ্রহণের কারণেই ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। যদি তা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনা : পরিকল্পনাকারী শিবির ক্যাডার বাহাদুর আটক
সংবাদ
৬ নভেম্বর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী ছাত্রশিবিরের সাবেক ক্যাডার শহিদুল ইসলাম বাহাদুর প্রকাশ ভিপি বাহাদুরকে (৩৮) আটক করা হয়েছে। গতকাল বিকেল ৫টার দিকে রামু বাইপাস এলাকায় চট্টগ্রামগামী এস আলম পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে আটক করা হয়। শহিদুল ইসলাম বাহাদুর প্রকাশ ভিপি বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার হাজিরপাড়া এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে এবং কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের শিবিরের সাবেক ভিপি। রামু থানার ওসি গাজী সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এস আলম পরিবহনের চট্ট মেট্রো ব-১১০২২৬ নম্বরের একটি বাসযোগে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় পুলিশ, র‌্যাবের একটি দল তাকে আটক করে। বাহাদুরকে আটক করে র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বাহাদুর শিবিরের এক সময়ের আলোচিত ক্যাডার ছিল। তার নেতৃত্বে হামলায় কক্সবাজার সরকারি কলেজে অর্ধশতাধিক ছাত্র নেতা আহত হন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এক দল দুর্বৃত্ত রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতি অগি্ন-সংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় ভিপি বাহাদুর জড়িত ছিল বলে শুরু থেকেই ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনা নির্বাচিত সরকারের জন্য লজ্জার বিষয়
দৈনিক ইত্তেফাক
২০ অক্টোবর ২০১২
লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক সেক্যুলার রাষ্ট্র চেয়েছিলাম। কিন্তু রাঙামাটিতে যেসব ঘটনা ঘটেছে তাতে রাষ্ট্রের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র বিনষ্ট হয়েছে। আমরা একটি ধর্ম-বর্ণ-বৈষম্য ও শোষণহীন সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশে যে ধরনের সহিংসতা ঘটছে তা রোধ করার প্রধানত দায়িত্ব সরকার এবং তার প্রশাসনের। রামুর ঘটনার কথা প্রশাসনকে আগে থেকে জানানো হয়েছিল; কিন্তু প্রশাসন কর্ণপাত করেনি। প্রশাসনের এই নির্লিপ্ততার জন্য সরকারকে আমরা ধিক্কার জানাই। একটি গণতান্ত্রিক সরকার এই ধরনের ঘটনা রোধ করতে পারে না, এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর হয় না।  গতকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি সড়কদ্বীপে ‘অসাম্প্রদায়িক ও জাতিগত বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ মঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বৌদ্ধবিহারে হামলার প্রতিবাদে ‘নাগরিক প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশ এবং প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে সৈয়দ আবুল মকসুদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন:আমরা শুনেছি বেডরুম পাহারা দেয়া যায় না। আমরা মানি, বেড়রুম পাহারা দেয়া যায় না। কিন্তু একটি শহর তো পাহারা দেয়া যায়। গত ১৯ দিনে যে তদন্ত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনা : সরকারের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই প্রত্যাখ্যান বিএনপির
সংবাদ
২০ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে সরকারের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই তা প্রত্যাখ্যান করেছে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি। দলের অন্যতম নীতিনির্ধারক ও রামু সহিংসতায় বিএনপি গঠিত তদন্ত দলের আহ্বায়ক মওদুদ আহমদ বলেন, প্রকৃত ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে প্রশাসনিকভাবে এ রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এ রিপোর্টের কোন ভিত্তি নেই, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের প্রশাসনিক রিপোর্টের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত বিচার হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। গতকাল রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসারত ভাষা সৈনিক অলি আহাদকে দেখতে গেলে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রামুর সাম্প্রদায়িক সহিংসতা তদন্তে গঠিত সরকারের তদন্ত দল গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর দেশে ফেরার পর প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। তবে গতকাল কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে এ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট খবর প্রকাশিত হয়। ওইসব খবরের পরিপ্রেক্ষিতেই সরকারি তদন্ত দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করল বিএনপি। তবে এর আগে মওদুদ আহমদকে আহ্বায়ক করে গঠিত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় সরকারি তদন্ত প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি
যায়যায়দিন
২০ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারে বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে হামলা, ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনায় সরকারের তদন্ত প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। শুক্রবার বিকালে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, রামুর ঘটনায় প্রশাসনিক তদন্ত নয়, এ ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করতে উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। অন্যথায় ধরে নেয়া হবে সরকারই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। রাজধানীর খিলগাঁওয়ে জোড়াপুকুর খেলার মাঠে ১৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জোটের মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। খিলগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি ইউনুস মৃধার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, মহিলা দলের নেত্রী আফরোজা আব্বাস, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মজিবুর রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, সাজ্জাদ জহির, শামসুল হুদা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, তারা রামুর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে তদন্ত রিপোর্ট- রামুর ঘটনায় দেশী বিদেশী চক্র জড়িত
মানবজমিন
১৯ অক্টোবর ২০১২
রামু হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশী-বিদেশী নানা চক্র জড়িত রয়েছে। এতে ইন্ধন দিয়েছে একটি সুবিধাভোগী চক্র- যারা বিশেষ কয়েকটি রাজনৈতিক দলেরও সমর্থক। তারা দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে চায় বলে মনে হচ্ছে। তাদের কারণেই দ্রুত হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রাপ্ত ভিডিও চিত্র দেখে হামলার সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট দুই শতাধিক জনকে চিহ্নিত করা যায়। কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধপল্লীতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির জমা দেয়া প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সি কিউ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামু হামলার মদদদাতারা চিহ্নিত হয়নি এখনও
দৈনিক ইত্তেফাক
১৮ অক্টোবর ২০১২
১৮ দিনেও শেষ হয়নি আলামত পরীক্ষা হামলার পর ১৮ দিন চলে গেলেও কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও পল্লীতে সংঘটিত সহিংসতার রহস্য উন্মোচন করা যায়নি এখনও। এই হামলার ঘটনায় গতকাল বুধবার পর্যন্ত ২২৩ জনকে গ্রেফতার করা হলেও নেপথ্য মদদদাতা কাউকেই চিহ্নিত করা যায়নি। এমনকি ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত ‘গানপাউডার’ জাতীয় বিস্ফোরকসহ অন্যান্য আলামত পরীক্ষার কাজও শেষ করতে পারেনি সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হামলার ঘটনা তদন্তে গঠিত সরকারি তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বিদেশী কূটনীতিকদের হাতে রামু ঘটনার ‘মওদুদীয়’ রিপোর্ট তুলে দিল বিএনপি
দৈনিক জনকণ্ঠ
১৭ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহারে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে অভিযোগ করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের হোটেল হেরিটেজে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে দলের একটি প্রতিনিধি দল বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠককালে এ অভিযোগ করে বলে জানা যায়। বিকেল পৌনে পাঁচটা থেকে শুরু হয়ে বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধি দলের বৈঠক চলে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। বৈঠককালে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল রামুর ঘটনা তদন্ত করে যে রিপোর্ট তৈরি করে তা বিদেশী কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরা হয়। কূটনীতিকদের হাতে তদন্ত রিপোর্টের সঙ্গে ভিডিও ক্লিপও তুলে দেয়া হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও রামুর ঘটনা তদন্ত দলের নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের কাছে বলেন, রামুতে হামলার পেছনে সরকারের ইন্ধন আছে বলে বিদেশী কূটনীতিকদের জানিয়েছি। কেননা দীর্ঘ সময় ধরে হামলা, ভাংচুরও অগ্নিসংযোগ চলেছে। কিন্তু তা বন্ধের চেষ্টা না করায় সরকারের ইন্ধন থাকার ব্যাপারটি বেশ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধবসতিতে হামলা পরিকল্পিত ইন্ধনে ক্ষমতাসীনরা
নয়া দিগন্ত
১৫ অক্টোবর ২০১২
সরকারি দলের ইন্ধনে রামু ও উখিয়ার বৌদ্ধবিহার-বসতিতে হামলা হয়েছে। বৌদ্ধরা বলছেন, এ ঘটনা পরিকল্পিত। এর সাথে সায় দিয়েছে সব রাজনৈতিক দলই। তবে  সন্দেহের তীর সরকারের দিকেই ছিল। এখন সেটাকে পুলিশ সরিয়ে প্রথম দিকে রোহিঙ্গা এবং সর্বশেষ জামায়াতে ইসলামীর দিকে নিতে চাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের সাথে আলাপ করে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, ফেসবুক থেকে যে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে তার সাথে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মী জড়িত বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। আবদুল মুক্তাদির আলিফ নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতারও করেছে। পুলিশের বরাত দিয়ে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতা দায়ী, আলীগ-বিএনপি মুখোমুখি
রামুর সাম্প্রদায়িক হামলা : সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে সংশয়
সংবাদ
১৪ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে হামলা, ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধীদল বিএনপি। এ পরিস্থিতিতে প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়বে কিনা এবং তাদের বিচার হবে কিনা তা নিয়ে দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বিশিষ্টজন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। একই আশঙ্কা করেছেন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা। ঘটনার জন্য এ সব মহলের পক্ষ থেকে উগ্র সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধদের দায়ী করা হয়েছে। অন্যদিকে নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের দিকে মনোনিবেশ না দিয়ে ঘটনার দায় চাপাতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ব্যস্ত প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। জানতে চাইলে রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া 'সংবাদ'কে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ-বিএনপির কাদা ছুড়াছুড়ি দেখতে চাই না। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীরা বের হয়ে আসুক। এক প্রশ্নের জবাবে এই বৌদ্ধ নেতা বলেন, আমাদের মধ্যে কখনও সাম্প্রদায়িক ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় বিএনপি’র তদন্ত প্রতিবেদন, কোনভাবেই সরকার দায় এড়াতে পারে না
মানবজমিন
১৩ অক্টোবর ২০১২
একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সরকারের মদদে কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপির তদন্ত দল। গতকাল সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন নয় সদস্যের তদন্ত দলের প্রধান ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাই এ ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকার এর দায় কোনভাবেই এড়াতে পারে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য ৬৭ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, ২৯শে সেপ্টেম্বর রাত নয়টা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
সরকারি তদন্তে রোহিঙ্গা ছাড়াও দুই শতাধিক ব্যক্তি শনাক্ত
যায়যায়দিন
১৩ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বসতি ও বিহারে হামলার ঘটনায় রোহিঙ্গা ছাড়াও স্থানীয় ২ শতাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পেয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি। এছাড়াও মিয়ানমারের জঙ্গি সংগঠন আরএসওসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার অর্থের জোগান দিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকে ট্যাগ/শেয়ার করা একটি ছবির কারণে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত রামুতে বৌদ্ধমন্দির, বসতবাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়। এ ঘটনার পরদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর রামুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এ ঘটনায় তদন্ত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামু ঘটনার মূল হোতা মুক্তাদির গ্রেফতার
সমকাল
১১/১০/২০১২
রামু ঘটনার মূল হোতা আবদুল মোহাম্মদ মুক্তাদির আলীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রামুর শ্রীকুল এলাকার আবদুল মোহাম্মদ মুক্তাদির আলী ও হাফেজ আবদুল হক নামে দু'ব্যক্তি রামুর ফকিরাবাজারে অবস্থিত 'ফারুক কম্পিউটার টেলিকম' থেকে আলোচিত ছবি প্রিন্ট করে সরবরাহ করে। এর আগে বিতর্কিত ওই ছবিটি উত্তম বড়ূয়ার ফেসবুকে ট্যাগও করে মুক্তাদির। মুক্তাদির ফেনীর শ্যামলী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। জানা গেছে, সে ছাত্রশিবিরের ক্যাডার। ঘটনার পর থেকে সে আত্মগোপন করেছিল। মুক্তাদির রামু ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
আসক ও টিআইবির পরিদর্শন
রামুর বৌদ্ধ সম্প্রদায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন
প্রথম আলো
১০/১০/২০১২
রামুর বৌদ্ধপল্লি ও মন্দিরে হামলার ১০ দিন পরও আতঙ্ক কাটেনি। বৌদ্ধ সম্প্রদায় জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে এখনো উদ্বিগ্ন। আদিবাসী ফোরাম টেকনাফ শাখার সভাপতি ক্য জ অং রাখাই গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রামুর শ্রীকুল লালচিং বৌদ্ধমন্দিরে আলাপকালে এ উদ্বেগের কথা জানান। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন হামিদা হোসেন ও নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামালকেও একই কথা বলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে হামিদা হোসেন বলেন, ‘বৌদ্ধমন্দিরে হামলার ঘটনা নিয়ে এখন রাজনীতির খেলা চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেদিন বললেন, মন্দিরে হামলার আগের মিছিলে আওয়ামী লীগের যাঁরা ছিলেন, তাঁরা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুতে সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি সাংসদের উস্কানিতেই হামলা
সমকাল
০৯/১১/২০১২
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা এবং অগি্নসংযোগের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল জড়িত। ঘটনার দিন রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যান উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন। কিন্তু স্থানীয় সাংসদ বিক্ষোভস্থলে এসে উস্কানিমূলক কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যান। পরে ওই সাংসদ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরপরই হাজার হাজার মানুষ মন্দির ও বসতঘরে হামলা শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের দ্রুত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধ জনপদে হামলা
গ্রেপ্তার জামায়াত নেতার সাফাই গেয়ে আ. লীগ নেতাদের প্রত্যয়নপত্র
কালের কন্ঠ
০৬/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধপল্লীতে হামলার ঘটনার কিছুক্ষণ আগে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মীদের 'উসকানিমূলক' মিছিল নিয়ে যখন দেশব্যাপী তর্ক-বিতর্ক চলছে, তখনই হামলায় জড়িত থাকার দায়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার একজন জামায়াত নেতার সাফাই গেয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। সেই প্রত্যয়নপত্র গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা আলহাজ আবুল কাশেম সিকদারের পক্ষে বৃহস্পতিবার আদালতেও উপস্থাপন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা লিখেছেন, 'এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে, আলহাজ আবুল কাশেম সিকদার, পিতা-মৃত আবদুল গনি সিকদার, মাতা-বদরজ জান, সাং-বোমাংখিল, ওয়ার্ড নং-০৮, গর্জনিয়া, রামু, কক্সবাজার আমাদের পরিচিত। আমাদের জানামতে তিনি একজন সচ্চরিত্রের অধিকারী, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সমাজসেবক গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব। বিগত ৩০-০৯-২০১২ ইংরেজি তারিখে রামু ফতেখারকুল এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নহেন বা তাঁর উক্ত ঘটনার সাথে কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। ওই দিন এবং রাতে তিনি গর্জনিয়া নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আমাদের জানামতে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত নহেন।' কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ আহমদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আইউব ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
সরেজমিন
উখিয়ার বৌদ্ধ জনপদে এ কোন আতঙ্ক?
প্রথম আলো
০৫/১০/২০১২
মিয়ানমার সীমান্তের খুব কাছে ছোট্ট জনপদটির নাম পশ্চিম মরিচ্যা। চারপাশে পাহাড়, মাঝখানে নিটোল সমভূমি। তার চোখজুড়ানো সবুজ ধানখেতে আশ্বিনের হিল্লোল। কিন্তু এখানে মুসলমানপাড়াগুলোর ফাঁকে ফাঁকে যে কয়েকটি বৌদ্ধপল্লি আছে, সেখানে অনিশ্চয়তা ও দমবন্ধকরা আতঙ্ক। গত রোববার রাতে এই পল্লির নিরীহ নিরুপদ্রব মানুষগুলোর ওপর নেমে এসেছিল অকল্পনীয় বিভীষিকা। গত বুধবার দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম ছাই, কাঠ ও বাঁশপোড়া অঙ্গার, দগ্ধ গাছপালা, ভস্মীভূত ও ভগ্ন বুদ্ধমূর্তি আর কিছু নারী, পুরুষ ও শিশুর আতঙ্কিত মুখচ্ছবি। পশ্চিম মরিচ্যার দীপাঙ্কুর বৌদ্ধবিহারের ভস্মীস্তূপে দাঁড়িয়ে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার ও মন্দির ভাঙচুর
হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার সাত আসামির
কালের কন্ঠ
০৫/১০/২০১২
বৌদ্ধবিহার এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া ৩২ আসামির মধ্যে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার পুলিশ। তিন দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিরা হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এর আগে গত বুধবার আদালতে ৩২ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলো দেশের বৃহৎ জাহাজ নির্মাণপ্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিনের শ্রমিক পটিয়া উপজেলার লাখেরা গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে মহিউদ্দিন (২১), একই গ্রামের আরেক মহিউদ্দিনের ছেলে রুবেল (২৫) ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে ইব্রাহিম (২১); শিকলবাহা গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে আবুল কাসেম (২৩) এবং কোলাগাঁও গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে ইমরান (২১), আবদুল মন্নানের ছেলে এরশাদ (২৮) ও মতিউর রহমানের ছেলে আবদুর রহমান (২১)। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) নাজমুল হাসানের তত্ত্বাবধানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এদিকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিহার ও শত বছরের পুরনো বুদ্ধমূর্তি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার পটিয়া থানার মোড়ে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজ পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন করা হবে। পুলিশ জানায়, রবিবার ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
সরেজমিন উখিয়া
হামলাকারীদের চিনলেও ভয়ে নাম বলছে না কেউ
প্রথম আলো
০৪/১০/২০১২
‘১০ ঘণ্টা পাহারা দিয়ে রাখলাম। একসময় দেখলাম, ওরা দল বেঁধে ধেয়ে আসছে। মনে হচ্ছিল আর পারব না। মন্দিরের ফটকে আমি ওদের পায়ে ধরি। কিন্তু কেউ আমার কথা শুনল না। আমাকে মাড়িয়েই ওরা ভাঙচুর শুরু করে। ওদের পায়ের নিচে চাপা পড়ে আমি জ্ঞান হারাই।’ কথাগুলো বলতে বলতে চোখ মুছলেন উখিয়া ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনার প্রভাষক শাহ আলম। উখিয়ার শত বছরের লেজুরকুল বৌদ্ধমন্দির ভাঙার সময় তিনি ছিলেন প্রতিবাদী। তাঁর মতো আরেক প্রতিবাদী লেজুরকুলের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নুরুল কবীর। কিন্তু কেউ কিছুই করতে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
নাশকতার নেপথ্যে কারা
সমকাল
০২/১০/২০১২
'উত্তেজনা শুরু হয়েছিল শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকেই। রাত ১০টার দিকে শহরের চৌমুহনী এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সেখানে এসে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় এমপি লুৎফর রহমান কাজলও। এরই মধ্যে ২০-২৫ জনের দুটি দল দু'দফা মহড়া দিয়ে যায় সীমা বিহারের আশপাশে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয় জনপ্রতিনিধি এবং থানার ওসিকে। অভয় দেন তারা। বলেন, আমরা আশপাশে আছি, সমস্যা হবে না। কিন্তু দুর্বৃত্তরা রাত ১২টার দিকে এসে ভাংচুর শুরু করে। রাত ২টার দিকে এসে গান পাউডার ছড়িয়ে আগুন জ্বালিয়ে ছাই করে দেয় সব। ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
ধাওয়া খেয়ে ওসি খাটের তলায়
কালের কন্ঠ
০২/১০/২০১২
রামুর সহিংস ঘটনার জন্য পুলিশের নীরব ভূমিকাকেই দায়ী করেছে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সব স্তরের লোকজন। তাদের ভাষ্য, রামু থানার পুলিশ সব জেনেবুঝেও সেদিন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। এই ক্ষোভ থেকে উত্তেজিত জনতা গতকাল সোমবার রামু থানার ওসি নজিবুল ইসলামকে ধাওয়া করে। উপায় না দেখে ওসি এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে খাটের তলায় আশ্রয় নেন। স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা ক্ষোভের সঙ্গে কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা জানতে পেরেছেন, আগেই গোয়েন্দা সংস্থা থেকে জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে গত শনিবার রাতে রামুতে সহিংস ঘটনা ঘটে। কিন্তু রামু থানার পুলিশ উল্টো নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক রামুর চৌমুহনীতে আসেন। এ উপলক্ষে রামু উপজেলার পশ্চিম মেরংলোয়া বড়ুয়াপাড়ার পাশেই মঞ্চ তৈরি করা হয়। তাঁদের আসার আধঘণ্টা আগে রামু থানার ওসি মঞ্চের কাছাকাছি যেতেই জনতার ধাওয়ার শিকার হন। এ সময় ওসি দৌড়ে পশ্চিম মেরংলোয়া বড়ুয়াপাড়ার বজেন্দ্র ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
হামলাকারীরা আসে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে
কালের কন্ঠ
০২/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামুতে শনি ও রবিবার ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর ঘটনাটিকে 'পরিকল্পিত' বলে জানতে পেরেছে এলাকাবাসী ও প্রশাসন। হামলাকারীদের বেশির ভাগ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগেই প্রস্তুতি নিয়ে দলে দলে ও ট্রাকে করে মিছিল নিয়ে এসেই উপজেলা সদরের বড়ুয়াপাড়ায় হামলে পড়ে। বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ ঘরবাড়িতে ব্যাপক লুটপাটও চালানো হয়। আগুন লাগাতে ব্যবহার করা হয় গানপাউডার, পেট্রল এবং স্প্রে মেশিন। গতকাল সোমবার দিনব্যাপী রামু উপজেলা সদরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে এসব তথ্য। ভয়াবহ ওই ঘটনায় এখানকার রাজনৈতিক দলগুলো একে অন্যকে দোষারোপ করলেও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা জানা গেছে। রামুর বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের অনেকেই কালের কণ্ঠের কাছে অভিযোগ করেন, রামুতে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে এমন এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম ফেসবুকে ট্যাগ করা ছবিটি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্যোগ নেন। তিনি রামু স্টেশনে উত্তেজনাকর বক্তব্যও দেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে রয়েছে রামু থানার পুলিশের সখ্য। এ সুযোগে তিনি শনিবার রাতের চলমান ঘটনা নিয়ে পুলিশকে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন। ওই ব্যক্তির ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধ মন্দির ও বাড়িতে আগুন
সমকাল
০১/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতা শনিবার রাতে মিছিল করে ১১টি বৌদ্ধ মন্দির ও ১৫টি বাড়িতে আগুন দিয়েছে। বড়ূয়া পরিবারের ৩০টি বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। পরিস্থিতি সামলাতে রামুতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ ঘটনার জের ধরে উখিয়া ও পটিয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরে অগি্নসংযোগ করা হয়েছে। রামুর ঘটনা তদন্তে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বান্দরবান ও রাঙামাটিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সতর্ক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুটি শহরে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
হঠাৎ হামলা আগুন
রামু উখিয়া পটিয়া টেকনাফে বৌদ্ধ ও হিন্দুরা অসহায়
কালের কন্ঠ
০১/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ায় গত শনিবার রাতে হঠাৎ করে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর এবং বৌদ্ধমন্দিরে ব্যাপক হামলা শুরু হয়। হামলাকারীরা সংঘবদ্ধভাবে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ১৬টি বৌদ্ধমন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। লুটপাট করে মন্দিরের মূল্যবান সম্পদ। দুষ্কৃতকারীরা বিভিন্ন এলাকায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। আগুন লাগানোয় ব্যবহার করা হয় গানপাউডার ও পেট্রল। রাত সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। এরপর গতকাল রবিবার দুপুরে চট্টগ্রামের পটিয়ায় চারটি বৌদ্ধমন্দির এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের তিনটি মন্দিরে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরে বুদ্ধমূর্তি দিল থাইল্যান্ড
ইত্তেফাক
০৪ এপ্রিল, ২০১৩
রামু, উখিয়া এবং পটিয়ায় গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর সহিংস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ মন্দিরগুলোতে থাইল্যান্ড ৩৫টি বুদ্ধমূর্তি দিয়েছে। বুদ্ধমূর্তিগুলো গতকাল বুধবার রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ ধর্ম সুরক্ষা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক থাই সংঘরাজ ভিক্ষু, মহাসভার মহাসচিব ফ্রাথেপ বিশুদ্ধি কবি এবং মেজর জেনারেল তংকাউয়ের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রামুর ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ পল্লী পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক ও বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সাহায্যের পাশাপাশি বৌদ্ধ বিহারগুলোর জন্য বুদ্ধমূর্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। রামু পরিদর্শনের তিন মাস পর তারা ৩৫টি বুদ্ধমূর্তি পাঠালেন। সংশিষ্টসূত্রে জানা যায়, আগামী মে মাসে প্রতিনিধি দলটি আবার রামুতে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে বুদ্ধমূর্তিগুলো হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
গাফিলতি ছিল রামুর ওসির গুরুত্ব বোঝেনি অন্যরাও
যায়যায়দিন
৯ নভেম্বর ২০১২
বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে হামলার ঘটনায় রামুর তখনকার ওসি একে নজিবুল ইসলামের গাফিলতি পেয়েছে পুলিশের তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন কক্সবাজারের সেই সময়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জয়নুল বারী এবং পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। রামুর ঘটনার পর চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় জয়নুল বারীকে ওএসডি করা হয়। সমপ্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে পুলিশ সুপার সেলিমকে। আর ওসি নাজিবুলকে ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যেই প্রত্যাহার করা হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর রামুতে সংঘটিত ঘটনার তদন্তে পুলিশের তিন ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বাহাদুর
দৈনিক ইত্তেফাক
৭ নভেম্বর ২০১২
কক্সবাজারে সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের দাবি কক্সবাজারের জামায়াত নেতা ও শিবিরের সাবেক ক্যাডার শহীদুল আলম বাহাদুর প্রকাশ ভিপি বাহাদুরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২টি পিস্তল উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব)। গতকাল মঙ্গলবার কক্সবাজারস্থ র্যাব ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। তবে বাহাদুর, এই অস্ত্র তার নয় বলে দাবি করলেও জিজ্ঞাসাবাদে রামুর ঘটনায় তার জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল করিম জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনার লক্ষ্য ॥ যুদ্ধাপরাধী বিচার বানচাল, সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা, সংখ্যালঘুদের আস্থা নষ্ট করা
দৈনিক জনকণ্ঠ
৩১ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন ঘটনার পেছনে যারা ভূমিকা রেখেছে তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। রামুর ঘটনার পেছনে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে ‘উস্কানি’ ছিল মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনার পেছনে নোংরা রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছিল। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করাই ওই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। হামলার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি ঈদের আগেই তাদের প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে জানিয়ে মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, প্রতিবেদনে মোট ১১টি সুপারিশ এসেছে এবং সে অনুযায়ী কাজ চলছে। সুপারিশের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুপারিশ অনুযায়ী কাজ চলছে, জড়িতদের নাম আস্তে আস্তে জানতে পারবেন। বিদেশী দূতদের কাছে বিএনপির নিজেদের তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কি সরকার নেই? রাষ্ট্র নেই? তারা তাদের কোন প্রভুদের কি দিয়েছে তা নিয়ে বলার কিছু নেই। তিনি বলেন, রামুতে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর সহিংসতার পর সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগের প্রবণতা বেড়েছে
দৈনিক ইত্তেফাক
২১ অক্টোবর ২০১২
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মনে করে, রামুর ভয়াবহ সহিংসতার পর সংখ্যালঘুদের মাঝে দেশ ত্যাগের প্রবণতা বেড়েছে শতকরা ৩৮.৪৬ ভাগ। এছাড়া শতকরা ৭৮.২৪ ভাগ সংখ্যালঘু মনে করেন, বাংলাদেশের সব স্থানেই সংখ্যালঘুদের স্বার্থ হুমকিতে রয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত এক লিখিত বক্তব্যে এ দাবি করেন। গত শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিষদের ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রামু, উখিয়া ও টেকনাফের বৌদ্ধ বসতিতে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এর আগে তারা পটিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরও পরিদর্শন করেন। এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন, সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২০০ মানুষের মাঝে একটি জরিপ চালানো হয়। ওই জরিপের ভিত্তিতে তিনি দাবি করেন, ক্ষতিগ্রস্ত ৯০ ভাগ মানুষ মনে করছেন, রামু-উখিয়া-টেকনাফ-পটিয়ায় বরাবর ধর্মীয় সম্প্রীতির পরিবেশ ছিল। ৯৭.৪৬ ভাগ মনে করেন, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বরের হামলা পরিকল্পিত। আর ৯২.২০ ভাগ মানুষ জানান, হামলা মোকাবিলায় প্রশাসন ও আইন-শৃংখলা বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে। ৭২.১৫ ভাগ মানুষের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামু হামলার প্রতিবাদে চন্দনাইশে মানববন্ধন
দৈনিক ইত্তেফাক
২০ অক্টোবর ২০১২
রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও পটিয়ায় বৌদ্ধ বিহার ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এক মানববন্ধন কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া কলেজ গেইট এলাকায় প্রায় অর্ধ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চন্দনাইশ বৌদ্ধ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেয়। চন্দনাইশ ভিক্ষু পরিষদের সভাপতি শ্রীমত্ বসুমিত্র মহাস্থবির দয়ানন্দ ভিক্ষুর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মহিলা এমপি ছেমন আরা তৈয়ব, আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ভিক্ষু ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
হামলাকারীরা সংগঠিত হতে দীর্ঘ সময় পেয়েছে, প্রশাসন ব্যর্থ
দৈনিক জনকণ্ঠ
১৯ অক্টোবর ২০১২
দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা সময় ধরে সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার-মন্দির ও তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার নেপথ্যে রয়েছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রের মূল কারণ হচ্ছে, বর্তমান সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন এদেশে নিরাপদ নয়, এ ধরনের পরিস্থিতি বিদেশীদের নজরে আনা। এ ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের ব্যর্থতা ছিল। কক্সবাজারের তৎকালীন জেলা প্রশাসক, রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক ব্যর্থতার জের হিসেবে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রামুতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তথা বৌদ্ধ মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও আগুনে জ্বালিয়ে দেয়ার জঘন্য এ ঘটনা ঘটে। এদের ব্যর্থতা ও অবহেলা এমন ছিল যে, ওই সময়ের রামুর ঘটনার পর আরও দুটি পৃথক স্থানে একই ধরনের সহিংসতা ঘটেছে। এতে সরকারী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতার কথা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা না হলেও কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত কমিটি রামুর ঘটনার জন্য স্থানীয় ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বিদেশি কূটনীতিকদের বিএনপি : সাম্প্রদায়িক হামলা সরকারের ইন্ধনে
সংবাদ
১৭ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে সংখ্যালঘু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর, হামলা, ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি। গতকাল রাজধানীর গুলশানে হোটেল হেরিটেজে বিকেল পৌনে পাঁচটা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে কূটনীতিকদের এসব কথা জানান রামুর ঘটনায় গঠিত বিএনপির তদন্ত দলের সদস্যরা। এ সময় বিদেশি কূটনীতিকদের হাতে তদন্ত রিপোর্ট ও এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপ তুলে দেন বিএনপি নেতারা বৈঠক শেষে বিএনপির তদন্ত দলের আহ্বায়ক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, রামুতে হামলার পেছনে সরকারের ইন্ধন আছে বলে বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছি। কেন না দীর্ঘসময় ধরে হামলা-ভাঙচুর-অগি্নসংযোগ চলেছে। কিন্তু তা বন্ধের চেষ্টা না করায় সরকারের ইন্ধন থাকার ব্যাপারটি বেশ বোঝা যায়। বিদেশিদের কাছে এ তদন্ত রিপোর্ট উপস্থাপনের কারণ জানতে চাইলে মওদুদ আহমদ বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আওয়ামী লীগের সময়ে ঘটেছে। তাদের সময়ে পোপালগঞ্জে গির্জায় বোমা হামলার ঘটনাও ঘটেছে। বৈঠকে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর সাম্প্রদায়িক হামলা : আরও আসামি গ্রেফতার : নতুন তথ্য সংগ্রহে তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় বাড়ল
সংবাদ
১৫ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধপল্লীতে হামলা ও অগি্নসংযোগের ঘটনা তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা আবারও বাড়ল। গতকাল এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও নতুন করে কয়েকজন আসামি গ্রেফতার হওয়ায় আলোচ্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার আরও সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রকৃত দোষী কারা তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে। তাই তদন্ত কমিটি আরও সময় চেয়েছে। তবে কোন দিন এটি জমা দিবে তা জানা যায়নি। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. সিরাজুল হক খান এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, এ ঘটনায় জড়িত থাকায় স্যাটেলাইট চ্যানেল আরটিভির কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি এস এম জাফর ও রামুর যুবক নুরুল আলমকে (৩৬) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তদন্ত কমিটিতে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম ছাড়াও বান্দরবানের পুলিশ সুপার কামরুল আহসান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুর রউফ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার রয়েছেন। গত ২ অক্টোবর থেকে তদন্তকাজ শুরু করেছিল উচ্চ পর্যায়ের এ তদন্ত কমিটি। এদিকে পুড়িয়ে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধ বিহার মন্দির যখন জ্বলছিল তিনি তখন সঙ্গীতানুষ্ঠানে মগ্ন ছিলেন!
দৈনিক জনকণ্ঠ
১৫ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও টেকনাফ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ায় গত ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৌদ্ধ বিহার, মন্দির ও বসতবাড়িতে হামলা ও জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনার আগে ও পরের পরিস্থিতি সামাল দিতে চরমভাবে ব্যর্থ সরকারী উর্ধতন কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা কোথায় তা নিয়ে বড় ধরনের জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরপরই শুধুমাত্র একজন ওসিকে ক্লোজড করা হলেও সর্বশেষ রবিবার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে ঘটনার দিন পর্যন্ত কক্সবাজারের ডিসি পদে দায়িত্ব পালনকারী মোহাম্মদ জয়নুল বারীর ওপর। কিন্তু কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের এসপি এবং বিভাগের পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের উর্ধতন দুই কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজির সুপারভাইজিং তৎপরতায় কোন গাফিলতি ছিল কিনা তা নিয়ে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়নি। শুধু তাই নয়, এসব বড় বড় সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেয়ে বিলাসী জীবনযাপন ও নানা অনৈতিক বাণিজ্যের নানা অভিযোগ চাউর হয়ে আছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে, রামু যখন জ্বলন্ত কড়াইতে নিক্ষিপ্ত হতে যাচ্ছিল এবং তার আগে আগুনের উত্তাপ দ্রুতবেগে ছড়িয়ে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
কক্সবাজারে মাদ্রাসায় আগুন, পুলিশের ধারণা সাবোটাজ
কালের কণ্ঠ
১৫ অক্টোবর ২০১২
রামুর বৌদ্ধ জনপদে হামলার ঘটনার ১৩ দিনের মাথায় কক্সবাজারের একটি কওমি মাদ্রাসা চত্বরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলেছে, এটি সাবোটাজের চেষ্টা। তবে এলাকাবাসী এ অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে। জানা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকূলীয় এলাকা পোকখালী আল জামেয়া আল ইমদাদিয়া মাদ্রাসা চত্বরে একটি খড়ের গাদায় গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে আশপাশের মানুষ এসে পাশের নদী থেকে পানি এনে আগুন নিভিয়ে ফেলে। ঘটনাটি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠকে জানান, এ রকম ঘটনার মাধ্যমে সম্ভবত 'সাবোটাজ' করার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে মাদ্রাসা পরিচালনা কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কথা জানা গেলেও রামুর ঘটনার পর এ রকম একটি ঘটনা সংঘটিত হলে পরিস্থিতি খারাপও হতে পারত। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আগে ওই এলাকা থেকে খবর আসে, মাদ্রাসা নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়কে পুঁজি করে সেখানে গোলযোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খবর পেয়েই পুলিশ রওনা হয়। তবে তারা পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ জমা : নেপথ্যের মূল হোতা জামায়াত-শিবির সঙ্গে বিএনপি
সংবাদ
১৪ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক হামলার নেপথ্যে ছিল একটি রাজনৈতিক দল। এরা ইসলাম অবমাননার অভিযোগ তুলে সারাদেশে সামপ্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে বিদেশে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন্ন করতেই এই পরিকল্পনা করে। ওই চক্রই হচ্ছে জামায়াত-শিবির। তারা সুকৌশলে ব্যবহার করে বিএনপির স্থানীয় প্রতিনিধিদের। কক্সবাজারে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে বৌদ্ধপল্লী ও বৌদ্ধমন্দিরে সংঘটিত হামলার নেপথ্যের কারণ চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি। ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ জমা হবে। গত বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি জমা দেয়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু উত্তম বড়ুয়ার ফেসবুক থেকে আপত্তিকর সেই ছবি ডাউনলোড করা যুবক আবদুল মুক্তাদির ও কম্পিউটারের দোকান মালিক মো. ফারুককে পুলিশ গ্রেফতার করায় তাদের জবানবন্দি তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করে আজ তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম ছাড়াও তদন্ত কমিটিতে আছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার কামরুল আহসান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুর রউফ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার। গত ২ অক্টোবর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
অগ্নিসংযোগকারী হাশেম গ্রেপ্তার
প্রথম আলো
১৩ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধপল্লির বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগকারী আবুল হাশেমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রামুর রাজারকুল ইউনিয়নের ঘুনাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাশেম ওই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ রামুর বৌদ্ধমন্দিরে হামলায় লোক আনার কাজে ব্যবহূত ট্রাকসহ চালকের সহকারী ছৈয়দ আলমকে (৩৪) গ্রেপ্তার করে। গতকাল পর্যন্ত হামলার ঘটনায় আটক করা হয়েছে ২১৯ জনকে। রামু থানার পুলিশ জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টায় সময় আবুল হাশেমের নেতৃত্বে রামু সদরের মেরংলোয়ার বড়ুয়াপাড়া সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় সত্য ধামাচাপা দিতে পারে সরকার
যায়যায়দিন
১৩ অক্টোবর ২০১২
কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, সরকার সত্যকে ভয় পায়। রামুর ঘটনায় সত্যকে ধামাচাপা দেয়া হতে পারে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সরকারকেই আমাদের এ আশঙ্কা ভুল প্রমাণ করতে হবে। অতীতের সরকারগুলোও সত্যকে ভয় পেয়েছে। তাই এ ঘটনা বর্তমান সরকারের জন্য চরম পরীক্ষা। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রামু, উখিয়া এবং পটিয়ার ঘটনায় নাগরিক প্রতিনিধি দলের সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। সৈয়দ মকসুদ বলেন, সরকার রামুর ঘটনাকে ধামচাপা অথবা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করলে আমরা কিন্তু বসে থাকব না। সংখ্যালঘুরা সংখ্যায় ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বিএনপি তদন্ত দলের প্রতিবেদন
বৌদ্ধবিহারে হামলা সরকারের মদদেই
সমকাল
১৩/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু ও উখিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডবের জন্য সরকারকে দায়ী করেছে বিএনপি গঠিত তদন্ত দল। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে : ঘটনার ব্যাপ্তি এবং সরকারের নির্লিপ্ততা প্রমাণ করে, ক্ষমতাসীনদের মদদে এ ঘটনা ঘটেছে। এতে 'পূর্বপরিকল্পিত' এই ঘটনার রহস্য উন্মোচনে অতি দ্রুত একজন জ্যেষ্ঠ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিও জানানো হয়। বলা হয়, এই কমিশন গঠন করলে বিএনপি সহযোগিতা করবে। গতকাল শুক্রবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত দলের প্রধান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
কূটনীতিকদের ব্রিফিং করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রামুতে বিদেশিদের না যেতে পরামর্শ
প্রথম আলো
১২/১০/২০১২
রামুর বৌদ্ধমন্দির ও বৌদ্ধ বসতিতে হামলার কারণ খুঁজে বের করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে সরকার ন্যূনতম ছাড় দেবে না। এ ছাড়া বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যগত ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের হাইকমিশন ও দূতাবাসের প্রধান এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছে সরকারের এ অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি। তিনি আজ দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের রামু পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করেন। প্রায় এক ঘণ্টার ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রামুর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
‘বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত হাসিনার ওপর আঘাত’
প্রথম আলো
০৭/১০/২০১২
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ২০০১ সালে নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে যারা হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষে ঘরে অগ্নিসংযোগ, হামলা ও লুটপাট চালিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল, তারাই রামু ও উখিয়ায় হামলা চালিয়েছে। এ বর্বর ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, কোথায় গোপন বৈঠকের মাধ্যমে কীভাবে ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়, সব তথ্য সরকারের কাছে আছে। মানুষ ভাড়া করার ট্রাক জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহূত একটি কংক্রিট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে। আজ রোববার দুপুুরে উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের অগ্নিদগ্ধ পশ্চিম ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে প্রধানমন্ত্রী
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
সমকাল
০৭/১০/২০১২
কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় বৌদ্ধবিহার এবং মন্দিরে অগি্নসংযোগ-ভাংচুরে জড়িতদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরোর নেতৃত্বে ইউনাইটেড সিটিজেন প্রটেকশন কমিটির ব্যানারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করলে তিনি তাদের এ আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যালঘু জনগণের ওপর হামলার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ দেখে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার তদন্ত করে আমাদের অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধবিহারে হামলার ঘটনায় সরকার জড়িত
প্রথম আলো
০৬/১০/২০১২
বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, কক্সবাজারের রামু ও চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধসম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় সরকার জড়িত। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকজন জড়িত। আর সরকার এখন তাঁদের গ্রেপ্তার না করে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে। আজ শনিবার হবিগঞ্জের নিউফিল্ডে দলীয় এক জনসভায় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্পর্কে বলেন, দুদকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুদকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
ফেঁসে যাচ্ছেন এমপি কাজল
হামলাকারীদের তালিকা পুলিশের হাতে
সমকাল
০৪/১০/২০১২
সম্প্রীতির শহর রামুতে সংঘটিত স্মরণকালের জঘন্যতম ঘটনার নেপথ্যের মাস্টারমাইন্ডদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা। তবে ইন্ধনদাতা হিসেবে স্থানীয় বিএনপিদলীয় এমপি লুৎফর রহমান কাজলকে এ ঘটনায় ফাঁসাতে যাচ্ছে পুলিশ। এ জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে তারা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, ভিডিও ফুটেজ ও মোবাইলে তোলা স্টিল ছবি দেখে মামলার আসামি করা হচ্ছে স্থানীয় আরও কয়েক জনপ্রতিনিধিকেও। কারণ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শ'খানেক দুষ্কৃতকারী তাদের সামনে রেখেই মন্দির পোড়ানোর এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। এদিকে উসকানি ও হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনের নাম-ঠিকানার ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
‘ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত, গোয়েন্দা সংস্থা সবই জানে’
প্রথম আলো
০৪/১০/২০১২
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ার-ম্যান মিজানুর রহমান রামু ও উখিয়ায় বৌদ্ধমন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনাকে পূর্ব-পরিকল্পিত এবং গোয়েন্দারা জানতেন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এখন মনে হচ্ছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সবকিছু হয়েছে। এই পূর্বপরিকল্পনার কোনো আঁচ, কোনো ধারণা কি আমাদের যাঁরা গোয়েন্দা সংস্থায় রয়েছেন, তাঁরা কেউ কি জানতেন না? আমি বলি, গোয়েন্দা সংস্থা সবই জানে।’ গতকাল বুধবার এক সেমিনারে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান গোয়েন্দাদের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, ‘তাঁরা এও জানেন যে, কোন সংবাদটি সকলের জন্য প্রকাশ করা হবে এবং কোনটি প্রকাশ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় বিপুল টাকার লেনদেন!
কালের কন্ঠ
০৪/১০/২০১২
দেশের সামপ্রদায়িক সমপ্রীতির ইতিহাসে গত শনিবার কক্সবাজারের রামুতে সংঘটিত ভয়াল ঘটনাটির নেপথ্যে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই লেনদেনের সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি এবং সংগঠন জড়িত থাকতে পারে। গত সোমবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভায় এ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত একজন সরকারি কর্মকর্তা গত রাতে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন এ তথ্য। নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, কোটি টাকার বিনিময়ে যথেষ্ট সময় নিয়ে আটঘাট বেঁধে পরিস্থিতি তৈরির ছক এঁটে হামলা চালানোর বিষয়টি আলোচ্য বৈঠকে খুব গুরুত্ব পায়। এর পেছনে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ, রোহিঙ্গাসংশ্লিষ্টতা, জঙ্গিদের নাশকতা এবং এনজিওসংশ্লিষ্টতাও আলোচনায় উঠে আসে। কক্সবাজারের অনেক লোকের মুখেও এমন কথা শোনা যাচ্ছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তার ক্লু খুঁজে পেতে অনেক কিছুই আলোচনার মধ্যে রাখতে হয়। ঘটনার কারণ সন্ধান করতে গিয়ে আলোচনায় স্থান পেয়েছে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের কথাটিও। ওই রাতের ঘটনায় মানুষ কেবল ধর্মীয় উন্মাদনায় বশীভূত হয়ে এত বড় ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
মানববন্ধনে তথ্যমন্ত্রী
রামুর ঘটনা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ
কালের কন্ঠ
০৩/১০/২০১২
রামুর ঘটনা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিয়ে বিশ্বের অনেক জায়গায় যেভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বানানো হচ্ছে, বাংলাদেশের সেরকম কিছু তৈরির উদ্দেশ্যে কোনো গোষ্ঠী এটি করছে। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিরা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এ ধরনের ঘটনার উস্কানি দিয়েছে। ইনু আরো বলেন, রামুর ঘটনা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মুসলমানের নয়, বরং বর্হিবিশ্বে এরকম একটি অপপ্রচার চালাতে এটি করা হয়েছে। বাংলাদেশে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধমন্দির ভাঙচুর
নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে হাইকোর্টের নির্দেশ
কালের কন্ঠ
০৩/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও টেকনাফ এবং চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ব্যর্থ কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাই কোর্ট। উল্লিখিত এলাকাগুলোর জনগণের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন কেন ব্যর্থ হলো তার জবাব দিতে সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আদালত। আজ বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ রুল জারি করেন। সুপ্রিম কোর্টের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধপল্লিতে হামলা
সন্দেহে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা
প্রথম আলো
০২/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ার বৌদ্ধ উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় রোহিঙ্গা জঙ্গিদের হাত রয়েছে বলে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সন্দেহ করছেন। তাঁদের ধারণা, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারে মুসলমানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার প্রতিশোধ নিতেই বৌদ্ধ উপাসনালয়ে হামলা চালানো হয়। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হামলার সময় বিভিন্ন ব্যক্তির মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিওচিত্র দেখে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এর পেছনে মূল ব্যক্তি কে বা কারা, সেটাও খোঁজা হচ্ছে। হামলার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাত পর্যন্ত ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
এটা মৌলবাদী কাজ : সন্তু লারমা
কালের কন্ঠ
০২/১০/২০১২
পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা বলেছেন, কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধমন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনাটি মৌলবাদী তৎপরতার প্রতিফলন। তিনি বলেন, শুধু রামু নয়, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাঙামাটিতেও একই ঘটনা ঘটেছে। সাবেক গেরিলা নেতা সন্তু লারমা গতকাল সোমবার কুয়াকাটায় এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। স্থানীয় হলিডে হোমস মিলনায়তনে পটুয়াখালী ও বরগুনার রাখাইন আদিবাসী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সন্তু লারমা এক ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বুচি শর্মা জীবিত
প্রথম আলো
০১/১০/২০১২
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় গতকাল রোববার রাতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মারা যাননি বুচি শর্মা (৭০)। অজ্ঞান অবস্থায় জীবিত আছেন। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক রেদুয়ান তারেক ও বুচি শর্মার স্বামী যতীন শর্মা আজ সোমবার প্রথম আলো ডটকমকে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল রোববার এই বৃদ্ধা মারা গেছেন বলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়। তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম খবরটি প্রকাশ করে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামসুল ইসলাম ও হোয়াইক্যং ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় জামায়াত জড়িত তদন্তে বেরিয়েছে : হানিফ
সংবাদ
২২ অক্টোবর ২০১২
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, রামু, উখিয়া ও টেকনাফে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তদন্তে বের হয়েছে এর সঙ্গে জামায়াত জড়িত। বিএনপিরও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। কিন্তু কী উদ্দেশ্যে এমন সহিংসা ঘটনা ঘটানো হলো তা এখনও জানা যায়নি। তিনি গতকাল বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সাবেক সংসদ সদস্য দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে সন্দ্বীপ ইয়াং অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা। অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও মরহুম মুস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বদিউজ্জামান ভূঁইয়া, বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একরামুদ্দিন ফরহাদ হোসেন। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কাজী জাবেদ ইকবাল শিহাব। মাহবুব-উল আলম হানিফ মনে করেন দুটি কারণে পরিকল্পিতভাবে রামুর সহিংস ঘটনা ঘটানো হতে পারে। একটি হলো আওয়ামী লীগের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
সেনা তত্ত্বাবধানে কাজ শুরু
রামু উখিয়া টেকনাফের বিহার পুনর্নির্মাণে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
দৈনিক জনকণ্ঠ
২১ অক্টোবর ২০১২
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা, দুর্গাপুজো ও প্রবারণা পূর্ণিমার প্রাক্কালে দেশজুড়ে বিশেষ করে কক্সবাজার অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সহাবস্থান পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারের শীর্ষ মহল ব্যাপকভাবে তৎপরতা শুরু করেছে। যে কোন ধর্ম ও অনুসারীদের বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের অপতৎপরতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এসব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও টেকনাফের ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ বিহার-মন্দিরের জন্য সরকার ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরকে। তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এসব বিহার-মন্দির পুনর্নির্মিত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী। সরকারী মঞ্জুরির অর্থ প্রাপ্তির আগে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ফান্ড থেকে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যা পরে সমন্বয় করা হবে। এদিকে গত ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী রামু সফরকালে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের জন্য যে প্রায় ৪ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছিলেন, সেই অর্থে নতুন করে বাড়ি-ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া রামুর ক্ষতিগ্রস্ত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের তদন্ত প্রতিবেদন
রামুর ঘটনার মূল উদ্দেশ্য বিশ্বে ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা
দৈনিক জনকণ্ঠ
১৯ অক্টোবর ২০১২
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার এম আমীরুল ইসলাম বলেছেন, রামু উখিয়ার আক্রান্ত বৌদ্ধ জনপদগুলোতে মনস্তাত্ত্বিক ক্ষয়ক্ষতি একধরনের সুনামি সমান ধ্বংস যজ্ঞ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় প্রশাসন তেমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ঘটনার সময় স্থানীয় প্রশাসন ছিল নির্বিকার নিলিপ্ত ও নেতৃত্বহীন। এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র । সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করা এবং সারাবিশ্বের কাছে ও নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করাই মুখ্য বিষয়। কক্সবাজারের রামু উখিয়া টেকনাফ পটিয়ার সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সম্পর্কে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করার সময় তিনি একথা বলেন। উল্লেখ্য, ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর ১৬ সদস্যের আইনজীবী প্রতিনিধি দল রামুসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম বলেন,বাঙালী জাতিকে ১৯৭১-এর মতো ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। দলমত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সমঅধিকারের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে মুক্তি ও সচেতনতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সুদৃঢ় করতে সকলকেই সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রতিবেদন প্রকাশ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
প্রশাসক নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে
যায়যায়দিন
১৮ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ায় সংখ্যালঘু বৌদ্ধ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়-আবাসস্থলে বর্বরোচিত হামলায় যারা ইন্ধন দিয়েছেন তাদের অনেকেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সদস্য। সরেজমিন অনুসন্ধানে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার' দাবি করেছে। বুধবার প্রকাশিত এ অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৃশংস এ ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের উপস্থিতিতেই সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় ও ঘরবাড়ি ভাংচুর, অগি্নসংযোগ, লুটপাট করা হলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। অধিকারের দাবি, এ ঘটনায় রোহিঙ্গাদের অভিযুক্ত ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি মহিলা পরিষদের
দৈনিক ইত্তেফাক
১৭ অক্টোবর ২০১২
রামুতে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা ও বৌদ্ধমন্দির ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। গতকাল মঙ্গলবার পরিষদের কেন্দ্রীয়  কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সম্মেলনে বলা হয়, রামু উপজেলা সদরে দুষ্কৃতকারীরা দলবদ্ধভাবে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরনো ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে। পুড়িয়ে দেয় বৌদ্ধপল্লীর ৪০টির মতো বসতবাড়ি। ভাঙচুর করে শতাধিক ঘরবাড়ি। টেকনাফে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে বৌদ্ধদের পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। উখিয়া উপজেলায় চারটি বৌদ্ধবিহার ভাঙচুর ও একটি বিহারে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর পটিয়ায় দুইটি বৌদ্ধবিহার ও একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুট করা হয়। দেশের জন্য এটি একটি জঘন্য সাম্প্রদায়িক ঘটনা। মহিলা পরিষদ বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার সম্পন্ন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রচার, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, রাজনৈতিক দলের পরস্পর দোষারোপের সংস্কৃতি পরিবর্তন ও সহনশীলতা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় জেলা প্রশাসক ক্লোজড, সদর ওসি বদলি
মানবজমিন
১৬ অক্টোবর ২০১২
রামুর বৌদ্ধ পল্লীতে হামলার ঘটনায় কক্সবাজারে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে বদলি আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার রাতে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি রোববার পর্যন্ত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতির বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর জয়নুল বারীকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এর আগে প্রত্যাহার করে নেয়া হয় রামু থানার বিতর্কিত ওসি নজিবুল ইসলামকে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি কামরুল হাসানকেও গতকাল অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি সেই রাতে কক্সবাজারের বর্তমান পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে। যে কোন মুহূর্তে তাকেও সরিয়ে দেয়া হতে পারে। সূত্র জানায়, রামুর ঘটনা পরিদর্শনে এসে গত ৮ই অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সেই রাতের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা সমপর্কে অবহিত হন। বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় তিনি চরমভাবে ক্ষুব্ধ হন। এরপর জেলা প্রশাসক ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন
যায়যায়দিন
১৫ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও টেকনাফসহ কয়েকটি স্থানে বৌদ্ধমন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে হাইকোর্টে। রোববার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়। ওই ঘটনায় সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে সরকার ও বিরোধীদলীয় নেতাদের দেয়া বক্তব্যে ১৬১ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণেরও আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে সোমবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন। এর আগে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত শুনানির জন্য ১৪ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ইউনুস আলী সম্পূরক আবেদনটি করেন। আবেদনে ওইসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ারও নির্দেশনা চাওয়া হয়। আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গণমাধ্যমে বলছেন, বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই অপরাধ ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ নেতারা এটি ঘটিয়েছেন। এই অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়ে বৌদ্ধরা খুশি, চলছে গ্রেফতারবাণিজ্য
দৈনিক জনকণ্ঠ
১৫ অক্টোবর ২০১২
রামু, উখিয়া, টেকনাফ এবং পটিয়ায় বৌদ্ধ বিহার, হিন্দু মন্দির ও তাদের বসতবাড়ি আগুনে অঙ্গার হয়ে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্তরা নব উদ্যমে স্ব স্ব স্থানে দাঁড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে। কারণ ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রদত্ত প্রায় ৪ কোটি টাকার অনুদানের অর্থ তাদের হাতে পৌঁছে গেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পদক্ষেপে অবিশ্বাস্য গতিতে ঘোষিত অনুদানের অর্থ হাতে পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা খুশি। এরই মাঝে নতুন করে তাদের জীবন সংগ্রামের প্রত্যয়ে তৎপর হয়েছে তারা। এদিকে, রামু, উখিয়া, টেকনাফ এলাকার প্রভাবশালীদের যোগসাজশে পুলিশের ব্যাপক গ্রেফতারবাণিজ্য শুরু হয়েছে। রোহিঙ্গা শিবিরে ব্যবহৃত কয়েক হাজার মোবাইল সিম বাতিলের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সহিংস ঘটনার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসন চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। উখিয়াতে গ্রেফতার হয়েছে সহিংস ঘটনার মামলার আসামি এক জামায়াত নেতা। এছাড়া রামুতে ঘটনার পর পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির লাশ তিনদিন পর রবিবার উদ্ধার হয়েছে। রামুর ঘটনায় গঠিত সরকারী তদন্ত কমিটি এখনও রিপোর্ট প্রদান করতে পারেনি। কমিটি আরও কদিন সময় নিয়েছে বলে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুতে হামলা, জেনেও নীরব ছিল পুলিশ!
দৈনিক ইত্তেফাক
১৪ অক্টোবর ২০১২
আরো ৩ জনের স্বীকারোক্তি কক্সবাজারের রামুসহ আশপাশে বৌদ্ধ মন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় আরও ৩ জন নিজেদের জড়িয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল শনিবার কক্সবাজার জেলা আদালতে তারা এই জবানবন্দি দেন। ওই দিনই তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদিকে ওই দিনের হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ ঠেকাতে রামু প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটালেও গোয়েন্দা সংস্থা আগাম সংবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়। শুধু তাই নয়, হামলার খবর জেনেও নিরব থেকেছে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি নাগরিক প্রতিনিধি দলের
মানবজমিন
১৩ অক্টোবর ২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বসতি ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নাগরিক প্রতিনিধিরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ সংশয় প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে বিচারবিভাগীয় তদন্ত এবং দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও নাগরিক প্রতিনিধি দলের সদস্য রোবায়েত ফেরদৌস। সংবাদ সম্মেলনে লেখক-কলামনিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সরকার সত্যকে ভয় পায়। রামুর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
কূটনীতিকদের ব্রিফ করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পূর্ণ তদন্ত ও বৌদ্ধ মন্দির পুনর্নির্মাণ করা হবে
সমকাল
১২/১০/২০১২
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং অগি্নসংযোগের ঘটনার পরিপূর্ণ তদন্ত, ন্যায়বিচার, ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির পুনর্নির্মাণ ও বৌদ্ধ ধর্মীয় পবিত্র নিদর্শন সংস্কার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি গতকাল ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের রামুর ঘটনা অবহিত করেন। মন্ত্রী এ সময় ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা, মিয়ানমারের সঙ্গে সংলগ্ন স্পর্শকাতর এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং দেশের ধর্মনিরপেক্ষ, বহুজাতিক ও গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, পদ্ধতিগতভাবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে এবং এর ফলাফলও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জানানো হবে। স্বচ্ছতা ও অবাধ নীতির আলোকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে রামু ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য চলমান তদন্তে যাতে কোনো প্রকার বিঘ্ন না ঘটে এবং বর্তমান শান্ত পরিস্থিতি যাতে অস্থিতিশীল হয়ে না ওঠে সে জন্য ওই এলাকায় চলাচল থেকে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
উখিয়ায় আবার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
রামুতে হামলাকারীদের উসকানি দেয় পুলিশ
প্রথম আলো
০৭/১০/২০১২
বৌদ্ধপল্লি ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় রামু থানার পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের তদন্ত কমিটি। হামলার সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আর দুই কনস্টেবল হামলাকারীদের উসকানি দেন। পুলিশেরই এক সদস্য তদন্ত কমিটির কাছে এই অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ সুপার সেলিম মো. জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, দায়িত্বে অবহেলার জন্য ওসি এ কে নজিবুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। কক্সবাজারের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
রামুর ক্ষতে যেন নুনের ছিটা দেওয়া না হয়
প্রথম আলো
০৭/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও টেকনাফের বিধ্বস্ত বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শন করেছেন ঢাকার নাগরিক প্রতিনিধি দল। আজ রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করে নাগরিক প্রতিনিধি দলের প্রধান আবুল মকসুদ বলেছেন, ২৯ সেপ্টেম্বরে রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। গত দুইদিন এখানে এসে যা দেখলাম, সংবাদপত্রে যা প্রকাশিত হয়েছে, তার চেয়েও অনেক ভয়াবহ। বিভত্স ও নারকীয় দৃশ্য। ৪২ বছরের সাংবাদিকতা জীবন আর ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এর কোন মিল নেই। আবুল মকসুদ বলেন, রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও পটিয়ায় বৌদ্ধদের ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
ইন্ধনদাতারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে
সমকাল
০৭/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ উপাসনালয়ে হামলার ঘটনার নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করতে গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে হামলাকারী অনেকেই শনাক্ত হলেও ইন্ধনদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। আটক সন্দেহভাজনদের জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর রামু সফরের আগেই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল শনিবার আরও ৩ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন_ রামুর ফতেখাঁরকুল এলাকার মোকতার আহমদের দুই ছেলে জসিম উদ্দিন ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধবিহারে হামলার পরিকল্পনা কক্সবাজার শহরে
সমকাল
০৬/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে হামলার পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। এ সহিংস ঘটনার পরিকল্পনা হয়েছে কক্সবাজার শহরের একটি বাড়িতে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সেলিম মো. জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, রামুতে সহিংস ঘটনার ব্যাপারে যথেষ্ট ক্লু ও তথ্য-প্রমাণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে এসেছে। ঘটনার পরিকল্পনাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তিনি জানান, শিগগির এ ঘটনার মূল হোতাদের গ্রেফতারে সক্ষম হবে পুলিশ। কক্সবাজারে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, শহরের লারপাড়ায় মনির নামে জামায়াতের স্থানীয় এক নেতার বাসায় বসে হামলার পরিকল্পনা হয়। বৈঠকে জামায়াত, শিবির ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধপল্লিতে হামলা
৪০ হামলাকারী শনাক্ত, মূল শক্তি অজানা
প্রথম আলো
০৬/১০/২০১২
রামুর বৌদ্ধপল্লি ও মন্দিরে হামলাকারীদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ ও এলাকাবাসী। তাদের মধ্যে আছেন জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য, মাদ্রাসাছাত্র ও রোহিঙ্গা নেতা। তবে কারা তাঁদের ইন্ধন দিয়েছে, তা এখনো অস্পষ্ট। পুলিশ, তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা গেছে। পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের ব্যবহার করা একটি ট্রাক গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চালক ও হেলপারসহ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ আটক করেছে। ট্রাকচালক পুলিশকে জানান, ঘটনার রাতে হামলাকারীদের নিয়ে কক্সবাজার থেকে রামুতে ট্রাকটি নিয়ে যান ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
উখিয়া-টেকনাফে বিরোধী নেতারা আত্মগোপনে
সমকাল
০৫/১০/২০১২
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার এড়াতে জামায়াত ও বিএনপি নেতারা এখন গা-ঢাকা দিয়েছেন। এ দুই উপজেলায় ৯টি বৌদ্ধ মন্দির এবং অর্ধশত ঘরবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও অগি্নসংযোগ করা হয়েছে। ৬টি মামলায় এ পর্যন্ত ৭২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এবং উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকেই তিনি উপজেলা ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
প্রশাসনের ব্যর্থতা দায়ী
সমকাল
০৩/১০/২০১২
এক রাতে রামুতে ১১টি বৌদ্ধ মন্দির ও ১৫টি বসতঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশসহ স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর 'রহস্যময় নীরবতার' কোনো কারণ জানা যায়নি দু'দিনেও। স্থানীয় ওসিকে গতকাল প্রত্যাহার করা হলেও ঊর্ধ্বতন কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কৈফিয়ত তলব করেনি প্রশাসন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গত রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছিলেন, 'বিহার ও বসতঘর পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। এসব অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য চট্টগ্রামে ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
কে ওদের অভয় দেবে?
প্রথম আলো
০৩/১০/২০১২
ভর দুপুরে আশ্বিনের রোদহীন আকাশটাকে মনে হলো পুড়ে ছাই হওয়া বৌদ্ধপল্লির বেদনার ছবি। কক্সবাজারের ছোট্ট উপজেলা রামুর সদরও ছিল অস্বাভাবিক রকমের নীরব। শহরের প্রায় মধ্যিখানে শ-তিনেক পরিবার নিয়ে বৌদ্ধপল্লিটি। তার ভেতরে ঢুকলে নৈঃশব্দ্য যেন আরও গাঢ় হলো। নাকে এসে লাগে ছাইয়ের গন্ধ। সরু গলি দিয়ে মূল বৌদ্ধবিহারের পথে হাতের ডানে নতুন কতগুলো তাঁবু। গত শনিবার রাতের আক্রমণে যাঁদের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, তাঁদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ওই সব তাঁবুর ব্যবস্থা। শূন্য তাঁবুর ভেতরে হাহাকার। কারণ তাঁদের চালচুলো, ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
বৌদ্ধ জনপদে হামলা
বৌদ্ধদের কাছে গিয়ে এখন হামলাকারীদের মায়াকান্না!
কালের কন্ঠ
০৩/১০/২০১২
কক্সবাজারের রামু উপজেলা সদরে গত শনিবার রাতে যে সমাবেশ ও মিছিলের পর বৌদ্ধপল্লীতে ভয়াবহ হামলা হয়, সেই মিছিল-সমাবেশের হোতাদের পুলিশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কথা শোনা যাচ্ছে। ওই ব্যক্তিরা এখন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দিচ্ছে, ধ্বংসযজ্ঞের জন্য মায়াকান্না করছে। এতে বৌদ্ধরা সেই রাতের ঘটনা নিয়ে নতুন নতুন তথ্য জেনেও পুলিশের তদন্তের ওপর আস্থা আনতে পারছে না। ওই মিছিলকারীরাই বৌদ্ধ জনপদে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সেই রাতে বৌদ্ধপল্লীমুখী মিছিল যাওয়ার সময় ৩০-৪০টি মোটরসাইকেল নিয়ে তৎপর ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)
জনপদে শুধুই ধ্বংসচিহ্ন আর কান্না
কালের কন্ঠ
০২/১০/২০১২
রামুর হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যের আর কিছুই নেই। প্রাচীন জনপদটির যেদিকে যাই সেদিকেই শুধু ধ্বংসের চিহ্ন। সব পুরাকীর্তিই যেন নিমেষেই শেষ হয়ে গেছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের গলায় এই হাহাকার ধ্বনিত হলো। গতকাল সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রামুর ২৭টি বৌদ্ধমন্দিরের মধ্যে ২০টিই পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরগুলোতে রক্ষিত ভারত, থাইল্যান্ড, জাপান, চীন, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ব্রোঞ্জ, অষ্টধাতু, শ্বেতপাথরসহ মূল্যবান ধাতুর তৈরি ছোট-বড় সহস্রাধিক মূর্তি ছিল। এর মধ্যে পাঁচ শতাধিক মূর্তি পুড়ে গেছে কিংবা ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া বার্মিজ, পালি, বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষার দুষ্প্রাপ্য ত্রিপিটক পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের পরিচালক প্রজ্ঞানান্দ মহাথেরো কাঁদো কাঁদো গলায় বলেন, 'এসব আর কখনো ফিরে পাব না।' হামলাকারীরা পুড়িয়ে দিয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়েরও তিনটি ঐতিহ্যবাহী মন্দির। ১৮৮৫ সালে রামুর চেরাংঘাটায় স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী 'বড় বিহার' নামে পরিচিত রাখাইন টেম্পলটিতে হামলা চালিয়ে ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এই টেম্পলের কয়েক শ মূর্তির হদিস মিলছে না। টেম্পলের ভেতরের আসবাবপত্র, দরজা-জানালাসহ ...
(বিস্তারিত) (মূল লেখা)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত অনলাইন ঢাকা গাইড -২০১৩